রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত হয়েছেন আধিপত্যবিরোধী ঐক্য প্যানেলের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আম্মার।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত।
শুক্রবার সকালে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনের সামনে সাংবাদিকদের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, “আমার ম্যান্ডেট শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেটের বাইরে আমি এক মুহূর্ত থাকব না, ইনশাআল্লাহ।”
রাকসু নির্বাচনে সালাহউদ্দিন ১১ হাজার ১১৮ ভোট পেয়ে জিএস নির্বাচিত হন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা।
২০২৪ সালের ৭ই সেপ্টেম্বর রাতে রাজশাহী নগরের বিনোদপুর বাজার এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ মব হামলায় নিহত হন। ঘটনার পর ওই হত্যাকাণ্ডে সালাহউদ্দিন আম্মারসহ কয়েকজনের নাম উঠে আসে। পরদিন মাসুদের স্ত্রী বাদী হয়ে বোয়ালিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। যদিও প্রশাসনের চাপে কারও নাম দিতে পারেনি।
পুলিশ ছায়া তদন্তে মামলায় সালাহউদ্দিনকে প্রধান অভিযুক্ত করে তদন্ত শুরু করলেও জামায়াত নিয়ন্ত্রিত ইউনূস সরকারের সময়ে এ মামলাটির কোন অগ্রগতি হয়নি।
নিহত মাসুদ ২০২২ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে স্টোর অফিসার পদে যোগ দেন। তার আগে ২০১৪ সালে ক্যাম্পাসে হামলায় এক পা হারিয়েছিলেন তিনি। মৃত্যুর কয়েকদিন আগে তিনি কন্যাসন্তানের বাবা হন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন বলেন, “আজ থেকে এক বছর পরে দায়িত্ব পালন শেষে আপনারা আমাকে জিজ্ঞাসা করবেন কেমন লাগছে। যদি দায়িত্বটা সঠিকভাবে পালন করতে পারি, তাহলে হয়তো সম্মানের সঙ্গে আপনাদের কাছে বলতে পারব যে আমি দায়িত্ব পালন করেছিলাম। যে সম্মান নিয়ে আজ ঢুকছি, সেই সম্মান নিয়েই বের হতে চাই।”

0 Comments